Header Ads Widget

কালা যাদু/জাদু বা ব্ল্যাক ম্যাজিক কি? কিভাবে কাজ করে?


কালো জাদু কি?
 
 

কালো জাদু একটি ঐতিহ্যগত ভাবে অলৌকিক শক্তি যা মন্দ/খারাব এবং স্বার্থহাছিলের উদ্দেশ্যে কালো জাদু ব্যবহার হয়ে আসছে প্রাচিনকাল থেকে। আজ আমরা আলোচনা করবো কালো জাদু বিষয় বান মারা, তাবিজ করা বা কুফরি যাদু— এই শব্দগুলি সম্বন্ধে কমবেশি আমরা প্রায় সবাই পরিচিত। এইগুলিকে এক কথায় ‘কালা যাদ বা ব্ল্যাক ম্যাজিক বলে। এগুলি বস্তুত সেই তুকতাক প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে মানুষের ক্ষতি সাধন করা হয় এবং হয়ে আচ্ছে। সহজ করে বললে বলা কালা যাদু এক ধরনের সুপার ন্যাচারাল পাওয়ার, যেটা খারাপ উদ্দেশ্যে অন্যের ক্ষতি করার জন্য প্রয়োগ করা হয়ে থাকে। এখন পর্যন্ত পৃথিবীতে এমন কোনো দেশ বা জাতি নেই যেখানে বা যারা কালো যাদু চর্চা না নেই বা করে না। হিন্দু ও বৌদ্ধরা বহু প্রাচীন কাল ধরেই এই কালা যাদসাহায্য নিয়ে আসছে।

বিশেস করে হিন্দু 'তন্ত্রসাধনায়' মূলত কালা যাদুই চর্চা হয়ে আসছে প্রাচিন কাল থেকে।‘তন্ত্রে উচাটন’, ‘মারণ’, ‘করণ’, ‘বিদ্বেষণ’, ‘স্তম্ভন’, ‘আকর্ষণ’ (মোহন) ও ‘বশীকরণ’— এই ৬টি প্রক্রিয়াকে আভিচারিক ষটকর্ম বা কালো যাদু বলা হয়ে থাকে বা এ গুলোই হলো ব্ল্যাক ম্যাজিক আথবা বশীকরণের সাহায্য নেওয়াটা আজকাল আমাদের দেশে বা বর্তমান বিশ্বে তথা ইয়োরোপ ও আমেরিকার মত দেশে অনেকের কাছে খুবই প্রচলিত। বশীকরণ পুরোপুরি কালো যাদুরই একটি অংশ বটে।
 

কালো জাদু চর্চা?
সারা বিশ্বে কালাে যাদু/জাদুর চর্চাকারীরা  এই কাজ করে থাকে পেশাদার হিসাবে। আর সারা দুনিয়ার সকল কালা যাদুর সাহায্য নিয়ে থাকেন অধিকাংশ নারীরা, তাঁদের মধ্যে শিক্ষি দিক্ষার কোন বালাই নাই কোন প্রকার কোনও তফাৎ নেই সবাই কালা যাদুর সাহায্য নিয়ে থাকেন। তারা আগ পাছ না ভেবে কালো জাদুর ফাদে পা দিয়ে ফেলেন। 

কালো জাদু মন্ত্র ঃ-
নারী বশিকরন মন্ত্র কালা যাদুঃ নিন্মক্ত বিষটি একটি কালা যাদুর মধ্যে পরে। একথায় যেখানেই মানুষের ক্ষতি হয় কিছু থাকে এবং যেখানেই ধর্ম বাইরে  কিছু থাকে সেটাকে কালা যাদু বলা হয়। অর্থাৎ কালা যাদু করা মানে ধর্ম বিরোধিতা করা। তবে এক্ষেত্রে একটি বিষয় প্রমানিত  যে কালা যাদু কখনও বিফল যায় না তবে যদি সাধক/সাধিকা এটি ঠিক মত পালন করতে পারে। এটি যেমন একজন নারীর ক্ষেত্রে প্রযোয্য তেমনি পূরুষের ক্ষেত্রেও প্রযোয্য। কিছু কাজ করে আপনাকে একটি মন্ত্র  108 বার পাঠ করে জথা স্থানে ফু মারবে। এভাবেই কাংখিত  সেই নারী বা পুরুষ অবশ্যই সেই  নারি পুরুষের দৃর্বল  হইবে। প্রেম প্রাথনা করিতে আগ্রহী হবে।

কালো জাদু শেখার উপায়?

আমাদের মধ্যে অনেক মানুষেই ভারতের কামরূপ কামাখ্যা ও তারাপীঠে যান কালো জাদু শেখার জন্য বা ভিতরে ভিতরে কালা যাদুর ভাল ওঝার বা শেখার সন্ধানে। প্রতি দিন খবরের কাগজে বা টিভিতে বিশেষ করে ভারতেই অনেক তান্ত্রিকের নামে টিভি বা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেখতে পাওয়া যায় । তান্ত্রিকেরা  সবাই কালা যাদুর সাহায্য নেওয়ার লোক বা রুগী খোঁজে এই মুহূর্তে ভারতের মধ্যে কালা জাদুর পীঠস্থান হিসেবে অসমের মেওং বিশেষ ভাবে খ্যাতি লাভ করেছে। পৃথিবীর বহু দেশ থেকে বহু পুরুষ ও মহিলারা এখানে এসে থাকেন কালা যাদুর সাহায্য নেওয়ার জন্য। ভারতের বর্তমানকালের বেঙ্গালুরু অতীতে দক্ষিণ ভারতের কালা যাদুর পীঠস্থান হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছিল।


কালো জাদু থেকে মুক্তির উপায় ?

অন্য দিকে কালা যাদুর ভয়ঙ্কর প্রভাব থেকে মুক্তি পেতে সব সময় বিশুদ্ধ শক্তির সাহায্য নেওয়া জন্য নিজেদের ধর্মিয় গ্রন্থ বা আরাধ্য দেবতা ও গুরুকে স্মরণ করতে পারেন।
কালো জাদু কিভাবে ক্ষতি করে থাকে ?

এবার আমরা আলোচনা করব, কালা যাদুর করন কিভাবে আমাদের অজ্ঞাতসারে ক্ষতি করে থাকে। আর কোন ক্ষতিগুলি কালা যাদু থেকে হয়ে থাকে এবং ইসলাম ধর্ম কালো যাদু সম্পর্কে কি বলেঃ


কালো যাদু বা জাদু সম্পর্কে বিস্তারিত - (৭টি ধ্বংসকারী কাজের দ্বিতীয় হল যাদু) যে কারণে এটি ইসলামের দৃষ্টিতে জগন্যতম খারাব কাজ কাজ

আবূ হুরাইরাহ্ রাদি আল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত তিনি বলেন: রাসূল (সাঃ) ইরশাদ করেন---
-- তোমরা (মানুষ) 'বিধ্বংসী' ৭টি গুনাহ্ থেকে বিরত থাকো। সাহাবারা বললেন- 'হে আল­াহর রাসূল! ওগুলো কি?' তিনি বলেন: আল­াহ্ তা-আলার সাথে কাউকে অংশীদার করা, 'যাদু' আদান-প্রদান, অবৈধ ভাবে কাউকে হত্যা করা, সুদ খাওয়া, ইয়াতীম-অনাথের সম্পদ ভক্ষণ, সম্মুখযুদ্ধ থেকে পলায়ন এবং সতী-সাধ্বী মুসলিম মহিলাদের ব্যাপারে কুৎসা রটানো’’। (বুখারী ২৭৬৬, ৬৮৫৭; মুসলিম ৮)

বিস্তারিত আলোচনা:-
কালো জাদু বোঝার উপায় ?


যাদু / জাদু এমন এক বিষয়  যার উপাদান বা ফর্মুলা নিতান্ত গোপন হয়ে থাকে। জাদু এমনিসব গুপ্ত কাজের মাধ্যমে করা হয়, যা  মানুষের দৃষ্টির আরালে থাকে। জাদুর মধ্যে 'মন্ত্র-পাঠ' 'ঝাড়-ফুক' বা বাণীপাঠ করা, ঔষধপত্র ও ধোয়া - এসব কিছুর ব্যবহার হয়ে থাকে। কালো যাদু বাস্তব বিষয় যা বিশ্বাস করা উচিৎ। ফলে মানুষ অনেক সময় এর মাধ্যমে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে, কালা যাদুর ফলে মৃত্যুে পর্যন্ত হয় এবং এর দ্বারা সংশারে স্বামী স্ত্রীর মধ্যে বিবাদ সৃষ্টি করা যায়। তবে এর প্রতিক্রিয়া তাকদীরের নির্ধারিত হুকুম ও আল্লাহর নির্দেশিত ভাবেই করা হয়ে থাকে।

এটা একটা পুরোপুরি শয়তানী কাজ। এ প্রকার কাজ শির্কের অন্তর্ভুক্ত। দুইটি কারণে জাদু শির্কের অন্তর্ভুক্ত

(১) কালা জাদুতে মূলত শয়তান'দের দিয়ে কাজ করানো হয়। শয়তানদের সাথে সম্পর্ক করা হয় এবং তাদের পছন্দমত কাজের মাধ্যমে তাদের ঘনিষ্ঠ'তা অর্জন করা হয়।

(২) এতে গায়েবী ইলম ও এতে আল্লাহর সাথে শরীক হবার দাবী করা হয়ে থাকে। আবার কখনো মানুষ তাদেরকে (জাদুকরকে) বিশেষ ক্ষমতার অধিকারী হিসেবে বিশ্বাস করে ফেলে। এ সবগুলোই মূলতঃ সর্বনাশবা কুফরী। তাই কুরআনুলকারীমে জাদুকে সরাসরি কুফরীরদের কাজ বা নিত্কৃষ্ট কাজ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু তা'আলা আনহু হাদীসে বর্ণিত আছে ‘‘যে ব্যক্তি গিরা/গিটঁ লাগায় অতঃপর তাতে ফুঁকদেয় সেই মূলতঃ 'যাদু' (কালো জাদু) করে। আর যে ব্যক্তি 'যাদু' করে সেই শিরক (শিরক হচ্ছে সকল পাপের চাইতে বড় পাপ।) করে ।  আর যে ব্যক্তি কোন জিনিস (তাবিজ-কবজ) লটকায় তাকে ঐ জিনিসসের দিকেই সোপর্দ করা হয়। 

 মহান আল্লাহ্‌র নির্ধারিত সময়ে মধ্যে সব কিছু ঘটবেই অথবা ক্ষতি বা উপকার করার ক্ষমতা একমাত্র সৃষ্টি কর্তার তিনি ব্যতীত অন্য কারও এমন ক্ষমতা-শক্তি নাই
*****
অতঃপর মহান আল্লাহ বলেনঃ -
মূলত তারা তাদের এ কাজ দ্বারা মহান আল্লাহ্ বিনা হুকুমে কারো (মানুষের) ক্ষতি করতে পারতো না।’ অর্থাৎ ক্ষতি সাধন করা তাদের (জাদুকরদের) ক্ষমতার মধ্যেই নেই। মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনের ভাগ্য লিখন অনুযায়ী যাদুকরনকারী ক্ষতি হতেও পারে ও যাদু নিষ্ক্রিয়ও হতে পারে। এও হতে পারে যে, আবার এমনও হতে পারে যে যাদুকর নিজেও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

এরপর মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন তারা (যাদুকররা) এমন জিনিস শিক্ষা করে যা তাদের  (যাদুকরদের) জন্য শুধুই ক্ষতিকারক, যার মধ্যে মোটেই উপকার নেই।’

আর ঐ ইয়াহুদীরা জানে যে,  যারা মহান আল্লাহ্‌ রাব্বুল আলামিনে রাসূল (সাঃ) এর আনুগত্য ছেড়ে যাদুর পিছনে লেগে থাকে তাদের জন্য আখিরাতের (সর্গে) কোনই অংশ নেই।
এই সব যাদুকরদের  মহান আল্লাহ্‌র কাছে কোন সম্মান নাই, আর না তাদেরকে সৃষ্টি কর্তা বিশ্বাসী মনে করা হয়।’


‘যাদেরকে জ্ঞান দেয়া হয়েছিলো তারা বললোঃ ধিক্ তোমাদেরকে! ‘যারা ঈমান আনে ও সৎ কাজ করে তাদের জন্য মহান আল্লাহ্‌র পুরস্কার শ্রেষ্ঠ এবং ধৈর্যশীল ব্যতীত এটা কেউ পাবে না। (২৮ নং সূরা কাসাস, আয়াত নং ৮

যাদু শয়তানের কর্ম

যেহেতু ইসলামে বাধা আছে যেহেতু যাদু শয়তানের কাজ সুতরাং সকলের উচিত এর থেকে দূরে থাকা। কালো জাদু শিরক আর শিরক হচ্ছে সকল পাপের চাইতে বড় পাপ। তাই সবার উচিৎ কালো যাদু থেকে দুরে থাকা।


কালো যাদু / জাদু আছে কি?
উত্তর হ্যা যাদু আছে।  তবে তা করা শিরক ও কুফরী ও বটে এবং জঘন্য খারাব কাজ । সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত যে, ইয়াহুদীরা রাসূল (সাঃ) এর উপর কালো জাদু করেছিল এবং সে আক্রান্ত হওয়া জাদুর কিছু উপসর্গ প্রকাশও পেয়েছিল। সুতারাং এতে কোস সংশয় নেই। ওহীর মাধ্যমে তা জানা সম্ভব হয়েছিল এবং জাদুর প্রভাব অকার্যকর করা হয়েছিল। [দেখুন, বুখারী ৩২৬৮, মুসলিম: ২১৮৯]


এছাড়াও, মূসা (আঃ)-এরও জাদুর প্রভাবে আক্রান্ত হয়েছিল যা কুরআনুল কারীমে উল্লেখিত আছে (আরবী) এবং (আরবী) [ত্বহাঃ ৬৬-৬৭]  জাদুর কারণেই মূসা আলাইহিস সালাম-এর মনে ভীতির সঞ্চার হয়েছিল। [মা'আরিফুল কুরআন যাদুর প্রভাব]


কালো যাদুর বাস্তব কোন প্রভাব আছে কি?

কালো যাদুর বস্তব প্রভাব অবশ্যই আছে।  তবে যাদু করার কারনে অনেকেই ভুল দেখে আসলে যা ছিল তাই থেকে যায়।  কালো যাদু আক্রান্ত ব্যাক্তি তার উল্ট দেখে থাকে।

যেমন পবিত্র কুরআনে শরিফে আল্লাহ্ বলে - তারা মানুষের চোখে যাদু করে দিয়েছেন। (৭নং সূরা আল আরাফ, আয়াত১১৬)


কালো জাদু শিক্ষা ?

কালো জাদু বা যাদু শিক্ষা দেয়া বা শিক্ষা নেয়া শুধু কবীরা গুনাহ্ই নয়। বরং তা শিরক এবং কুফর ও বটে।  তাই একজন মুসলিম হলে আপনাকে কালো যাদু থেকে দুরে থাকাই ভালো।


যাদুকরের শাস্তি

যাদুকরের শাস্তি হচ্ছে, কারো ব্যাপারে তা সত্যিকার ভাবে (যাদুকর) প্রমাণিত হয়ে গেলে তাকে শাস্তিস্বরূপ হত্যা করা। এ ব্যাপারে সাহাবাদের ঐকমত্য রয়েছে।

জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন-"যাদুকরের শাস্তি হচ্ছে তলোয়ারের  কোপ/আঘাত তথা শিরশ্ছেদ/ মৃত্যুদন্ড"। (শিরশ্ছেদ বা মৃত্যুুদন্ড)  (তিরমিযী ১৪৬০)

আমাদের উচিৎ দাম্পত্য জীবন ও পরিবারকে জাদু তদবীর তাবীজ থেকে  দূরত্বে রাখা। গ্রামগঞ্জে ‘তাবীজ করা’ একটা সাধারন বিষয় হয়ে দারিয়েছে !

যাদুর  শ্রেণীভুক্ত বিষয় কি ?:

(১) আউফ (রাঃ) বলেন, (ক) "ইয়াফা" হচ্ছে পাখি উড়িয়ে ভাগ্য গণনা করা । (খ) তারক হচ্ছে মাটিতে দাগ বা রেখা একে ভাগ্য গণনা করা ।
(২) ইবনে আববাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এরশাদ করেছেন, --যে ব্যক্তি জ্যোতির্বিদ্যা থেকে কিছু অংশ শিখল সে মূলত যাদুবিদ্যারই কিছু অংশ শিখে নিল ।

২টি কারণে যাদু শিরকের অন্তর্ভুক্ত :

১। যাদু বিদ্যায় শয়তানকে ব্যবহার করা হয় এবং তার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করা হয

২। যাদু বিদ্যা গোপন একটি বিষয় এখানে যাদুকররা  আল্লাহ্‌র অংশীদারিত্বের দাবী করে। এটা সর্বসম্মতভাবে শিরক এবং কুফরীর অন্তর্ভুক্ত

**************************
কালো যাদুকর বা জাদুকরকে কিভাবে চিনবেন?

কিভাবে চিনবেন, যার কাছে সহায়তার জন্য গেলেন সে জাদুকর নাকি ঝাড়ফুককারী/রাকি/কবিরাজ । তার উপায় উপকরণ বৈধ ঝাড়ঁ-ফুক নাকি জাদু বা জ্বিন ! চিনেন.

জাদুকর চেনার উপায় ও লক্ষণ হলো- চিকিৎসক বা কবিরাজের মধ্যে নিন্ম লিখিত কোন একটিও পাওয়া গেলে নিশ্চিতভাবে বুঝতে পারবেন সে একজন যাদুকর।


কালো যাদুকর  চিনিবার ২১টি উপায় :-

  1.  যদি চিকিৎসক রোগীর নাম আর মায়ের নাম জিজ্ঞাসা করে।
  2.  যদি চিকিৎসক রোগীর কোন চিহ্ন - যেমন কাপড়, টুপি, রুমাল, চুল, নখ, চিড়নী ইত্যাদি  নিতে চায়।
  3. যদি চিকিৎসক জবাই করার জন্য কোন  জীব/জন্তু চায়,  এবং সেটা আল্লাহর নামে জবাই না করে । এবং জবাই করা জীবের রক্ত ব্যথার স্থানে লাগাতেে বলে বা নির্জন ঘর বা জায়গায় ফেলে।
  4.  যদি চিকিৎসক রহস্যময় মায়াজাল বা অস্পষ্ট যা আমরা বুঝতে পারি না এমন মন্ত্র লিখে ।
  5. যদি চিকিৎসক অস্পষ্ট তন্ত্র-মন্ত্র পাঠ ও মায়াজাল পাঠ করে ।
  6. যদি চিকিৎসক রোগীকে চর্তুভূজ নক্সা বানিয়ে দেয়, যাতে থাকে অক্ষর বা নম্বর । তাবিজ বানিয়ে দেয়া ।
  7. যদি চিকিৎসক রোগীকে এক নির্ধারিত সময় এক অন্ধকার কক্ষে (যাতে আলো প্রবেশ করে না) লোকের অন্তরালে থাকার নির্দেশ দেয়।
  8. যদি চিকিৎসক রোগীকে এক নির্ধারিত সময় পর্যন্ত যা সাধারণত ৪০ দিন হয়ে থাকে পানি নারতে  নিষেধ করে।
  9. যদি চিকিৎসক রোগীকে কোন জিনিস পুঁতে রাখতে বলে।
  10. যদি চিকিৎসক রোগীকে কিছু পাতা  জ্বালিয়ে তা থেকে ধোয়া টেনে নিতে বলে।।
  11. যদি চিকিৎসক রোগীকে কোন বস্তু যেমন কাপর টুপি ইত্যাদি পড়ে দিয়ে তা আগুনে ঝুলিয়ে রাখতে বলে।
  12. যদি চিকিৎসক অস্পষ্ট কথা বা কালাম বা নম্বর দিয়ে তাবিজ বানিয়ে দেয়।
  13. যদি চিকিৎসক রোগীর কিছু বলার আগেই রোগীর নাম, ঠিকানা এবং রোগের কথা বলে দেয়। 
  14. যদি চিকিৎসক ছিন্ন-ছিন্ন অক্ষর লিখে রোগীকে নকশা বা তাবিজ বানিয়ে দেয়া অথবা কোন সাদা পাথরে কিছু লিখে দেয়া ও তা ধুয়ে পানি পান করতে বলে।
  15. যদি চিকিৎসক চিকিৎসায় জ্বিনের ব্যবহার ডেকে আনে।
  16. যদি চিকিৎসক রোগীর রাশি নির্ণয় ও জ্যোতিষ শাস্ত্রের ব্যবহার করে থাকে।
  17. যদি চিকিৎসক চিকিৎসায় কিছু গোপনীয় ও সুক্ষ্ম বিষয় রাখে যেটা সাধারণ আমরা  কেউ বোঝতে পারি না।
  18. যদি চিকিৎসক কোন কিছু খাবারের সাথে  বলে বা কোন কিছুকে পড়ে তা রোগীকে বা অপরকে খাইয়ে দিতে বলে।
  19. যদি চিকিৎসক চিকিৎসায় কোন নাপাক জিনিষ ব্যবহার করে ।
  20. যদি চিকিৎসক চিকিৎসায় কোন বিশেষ বা পড়া পানি রাস্তায় ফেলে রাখতে বলে।
  21. যদি চিকিৎসক চিকিৎসায় কোন কাজ হারাম হলেও সে বিষয়ে সহায়তা করে, অথচ কুরআনি সমাধান হলে এ বিষয়ে তদবির থাকার কথা না। । যেমন- প্রেমে ব্যর্থ হলে বা প্রেমিকাকে আকৃষ্ট করতে, কাউকে বান তাবিজ বা মেরে হত্যা করে ! কারো সম্পর্কে সংসারে সমস্যা সৃষ্টি করতে ইত্যাদি।


আপনারা হয়ত লক্ষ করেছেন যে শহরের বাসে গাড়িতে, নগরের অলিতে-গলিতে জাদুকরদের পোস্টারে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ! যেন কেউ কিছু বলার নাই ! এদের মধ্যে কারও কারও নাম মুসলিমদের মত হওয়ায় মুসলিমদের ধোকায় পড়তে হচ্ছে ! কেউ কেউ আবার ইসলাম বা কুরআনুল কামিররে কথা উল্লেখ্য করেও পোস্টার লাগাচ্ছেন ! যারা স্পষ্ট বলছেন যে কামরূপ কামাক্ষা থেকে বা অন্যকোন হিন্দু রাজ্য থেকে শিখেছেন তারা স্পস্ট জাদুর কথাই বলছেন ! তাই আমাদের এসব থেকে সাবধান হওয়া উচিৎ এবং আশপাশের মানুষদের সাবধান করা উচিৎ।

আরও পড়ুনঃ পুরুষের মত স্বপ্নদোষ মেয়েদেরও হয় কিভাবে? জেনে নিন।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্য