এলার্জি কি ? - ঘরোয়া পদ্ধিতে এলার্জি যেভাবে দূর করবেন?

 শুরুতে জেনে নেওয়া যাক- এলার্জি কি ?

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

মূলত এলার্জি হচ্ছে শরীরের এক ধরণের রোগ প্রতিরোধক প্রতিক্রিয়া । এতে কিছু কিছু বাহ্যিক পদার্থের প্রভাবে শরীরের বিশেষ বিশেষ অংশের কোষগুলো অস্বাভাবিক পরিবর্তনের হওয়ার ফলে নানা উপসর্গের সৃষ্টি হয়। এলার্জিতে সাধারণত  চোখ, নাক, ত্বক ও শ্বাসতন্ত্রের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি আক্রান্ত হয়ে থাকে,  এসবের মধ্যে নাকের এলার্জি সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য।


রোগের কারণ ও সমস্যা

এ ধরণের রোগের বহুবিধ কারণ রয়েছে যেমন:-

১. বংশগত: যাদের বাবা-মা বা ভাই-বোন এ রোগে আক্রান্ত তাদের পরবর্তী বংশধরদের অনেকেরই এ রোগ হওয়ার সম্ভবনা থাকে।


২. পরিবেশগত: বাতাসের আদ্রতার তারতম্যের ফলেও এ রোগের উত্‍পত্তি হয়ে থাকে। কারণ যে বাতাস নাকের মধ্যে প্রবেশ করানো   হয় সেটা নাকের সূক্ষ্ম কোষকে আক্রান্ত করে এবং ওই ধরণের প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করে।

 

 ৩. প্রদাহজনিত কারণ: ভাইরাস, ফাঙ্গাস, ব্যাকটেরিয়া নাক ও ফুসফুসের কিংবা ত্বকের সূক্ষ্ম কোষের তারতম্যের সৃষ্টি করার ফলে এলার্জির জন্ম হতে পারে।

এছাড়াও রাস্তার ধূলোবালি, কার্পেটের অংশ, ফুলের রেণু, চামড়ার লোম, পাখির পালক কিংবা ফাঙ্গাসজাতীয় পদার্থ ইত্যাদি এলার্জি হতে পারে।

রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ

শরীরে চুলকানি কোন নতুন সমস্যা নয়। বিভিন্ন কারণেই শরীরে চুলকানি হতে পারে। অনেক সময়ই  হাতে, পায়ে, পিঠে চুলকানি হয়ে থাকে। তা কোন শারীরিক অসুস্থতা বেতিরিকেই হতে পারে কোন ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ যা আমরা হাত দিয়ে চুলকালেই সেরে যায়। তবে অন্যান্য ধরণের কিছু চুলকানি হয়ে থাকে যেমন, এলার্জি, মশার কামড় কিংবা যেকোন পোকার কামড়ে, শরীরে কোন জায়গায় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রামণ, হাত পা ছিলে গেলে তা শুকানোর সময়ও চুলকানি হয়।

এলার্জি দূর করার ঘরোয়া উপায়

এলার্জি একটি  অস্বস্তির কারন বটে এলার্জির কারণে অস্বস্তিতে ভোগেন অনেকেই। যন্ত্রণাদায়ক এই এলার্জি অনেক কারণেই হতে পারে। এলার্জির সমস্যা যে কতোটা তীব্র, তা শুধু ভুক্তভোগীরাই জানেন। এর কারণে খাদ্যতালিকা থেকে বাদ রাখতে হয় অনেক প্রিয় খাবার। আর চুলকানির যন্ত্রণা তো রয়েছেই। কিন্তু চাইলে খুব সহজেই ঘরোয়া উপায়ে বিদায় জানাতে পারেন এলার্জিকে। 

চলুন তাহলে আজ জেনেই নেই কিভাবে ঘরোয়া পদ্ধিতে এলার্জি দূর করবেন-

নিম পাতা 

এক কেজি নিম পাতা ভালো করে রোদে ভালো ভাবে শুকিয়ে নিন। শুকনো নিম পাতা ভালো ভাবে পিষে গুড়ো করুন এবং সেই গুড়ো ভালো একটি কৌটায় ভরে রাখুন। এবার ইসুব গুলের ভুষি কিনুন।

 ইসুব গুলের ভুষি

এক চা চামচের তিন ভাগের এক ভাগ নিম পাতার গুড়া ও এক চা চামচ ভুষি এক গ্লাস পানিতে আধা ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। আধঘণ্টা পর চামচ দিয়ে ভালো করে নাড়ুন।

লেবু

ভিটামিন সি তে ভরপুর লেবু যে কোন চুলকানি খুব সহজেই দূর করে দেয়। বিশেষ করে লেবুর ভোলাটাইল তেল শরীরের যেকোন রকমের চুলকানি দূর করতে কার্যকরি উপাদান। লেবু টুকরা করে কেটে নিয়ে চুলকানির স্থানে কিছুক্ষণ ঘষুন দেখবেন চুলকানি কমে যাবে বা সেরে যাবে।

পেট্রোলিয়াম জেলি

যদি আপনার ত্বক খুব নাজুক বা সুস্ক হয়ে থাকে তাহলে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করবেন। কারণ এর কোন বিপরীত প্রতিক্রিয়া নেই এবং এই জেলিতে কোন ধরণের বিষাক্ত পদার্থ  থাকে না যা আপনার ত্বকের ক্ষতি করবে। তাই শরীরের কোন অংশে চুলকানি হলে আপনি পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার উপকারীতা নিতে পারেন।

অ্যালোভেরা

অ্যালোভেরাতে রয়েছে অনেক বেশি পরিমানে পরিমানে মশ্চারাইজিং ক্ষমতা। এবং এটি আমাদের ত্বকের জন্য খুব ভালো কার্যকরি একটি জিনিষ। শরীরের যেকোন জায়গায় চুলকানি হলে অ্যালোভেরা কেটে এক টুকরা নিয়ে সেখানে ঘষুন চুলকানি ১০০% চলে যাবে।

তুলসী পাতা

কর্পূর সমৃদ্ধ তুলসী পাতা ত্বকের যেকোন ধরণের জ্বালা পোড়া ও চুলকানি থামাতে সহায়ক। কয়েকটি তুলসী পাতা নিয়ে ধুয়ে নিন তারপর যেখানে চুলকানি হয়েছে সেখানে পাতা গুলো কিছুক্ষণ সময় নিয়ে ঘষুন। অথবা কিছু তুলসী পাতা পানিতে দিয়ে সিদ্ধ করে সেই পানি বরফ করুন এবং চুলকানি স্থানে ঘষুন আলত করে ঘষুন ব্যচ সমস্যা সমাধান।।

 

আরও পড়ুরঃ 

গর্ভাবস্থায় আপনি ৮তম মাসে যে অভিজ্ঞতা ও সমস্য গুলির সম্মুখীন দেখে নিন। 

প্রস্রাবে ফেনা হচ্ছে, হতে পারে ভয়ানক রোগের লক্ষণ! এরিয়ে যাবেন না

 

 


0 Response to "এলার্জি কি ? - ঘরোয়া পদ্ধিতে এলার্জি যেভাবে দূর করবেন? "

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

Iklan Atas Artikel

Iklan Tengah Artikel 1

Iklan Tengah Artikel 2

Iklan Bawah Artikel